
অ্যাপলের প্রথম ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে তা এখনই বলতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। ফোনটির চাহিদা বেশি থাকায় অর্ডার দেওয়ার পর ক্রেতাদের আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চললেও চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য ফিরতে কত দিন লাগবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনটি বাজারে আসার পরপরই ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। যারা অ্যাপল স্টোরে গিয়ে সরাসরি ফোন কেনেননি বা আগাম অর্ডার দিতে পারেননি তাদের অনেককেই এখন আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ভেরাইজনও ফোন সরবরাহে দেরি হওয়ায় গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে গ্রাহকদের উপহার কার্ড দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে অ্যাপল আইফোন ডুয়ের চাহিদাকে ‘অসাধারণ’ বলে উল্লেখ করেছিল। বিক্রি শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাপলের ওয়েবসাইটে ফোনটির মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে অনেক ক্রেতার কাছে ফোন পৌঁছানোর সময় আগামী বছর পর্যন্ত পিছিয়ে যায়।
অ্যাপলও কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে বলে সম্মেলনে জানিয়েছেন সাবিহ খান। তার ভাষ্য, অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটিকে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আইফোন ডুয়ের উৎপাদনে প্রয়োজনীয় টাইটানিয়াম সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেরিম্যানের সঙ্গে অংশীদারত্বও আরও গভীর করছে অ্যাপল।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন টার্নাস বলেন, নতুন ফোনটি নিয়ে ক্রেতা ও পর্যালোচকদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক সাড়া তাদের সন্তুষ্ট করেছে। যত দ্রুত সম্ভব ক্রেতাদের হাতে ফোন পৌঁছে দিতে কাজ করছেন তারা।
