
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা তেলের দাম কমার আশা জাগালেও অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বাজারকে চাপে রাখছে, উদ্বেগ বেড়েছে সরবরাহ নিয়েও।
তেলের বাজারে এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাইকে চিঠি পাঠিয়েছেন, যাতে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের কাছে নতুন একটি খসড়া চুক্তি উপস্থাপন করেছেন। তবে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সেটিকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। ফলে আলোচনা সফল হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে ইয়েমেনের হুথিদের হামলা এবং সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ তেলের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে হামলার আশঙ্কাও বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
শান্তি আলোচনা এগোলে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমে তেলের দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। কিন্তু সংঘাত বাড়লে বা গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে দাম আবারও বাড়তে পারে।
তাই সামনে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়বে, নাকি কমবে—তা অনেকটাই নির্ভর করছে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতির ওপর।
