
রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা নিয়ে নাটকীয়তার অভিযোগ তুলেছেন গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক মাইদুল ইসলামের পরিবার। মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকের স্ত্রী আমেনা বেগম দাবি করেন, এমপিওভুক্তির জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী আট লাখ টাকা দিতে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উপ-পরিচালক তার স্বামীকে ‘দালাল’ সাজিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে মাইদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমেনা বেগমের দাবি, রৌমারীর কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক-কর্মচারীর ফাইল তিনবার রিজেক্ট করে উপ-পরিচালক মোটা অঙ্কের টাকার জন্য চাপ দেন। প্রথম কিস্তির টাকা কম হওয়ায় এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা সাজানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে। রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ওসি শাহজাহান আলী জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

