
বিশ্বসংগীতে অন্যতম প্রভাবশালী নাম টেলর সুইফট। ২০০৬ সালের ২৪ অক্টোবর প্রকাশিত তার প্রথম অ্যালবামের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সম্প্রতি গায়িকা জানিয়েছেন সংগীতজগতে তার শুরুর দিনের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প। আমেরিকান গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন এই মার্কিন গায়িকা।
তিনি জানিয়েছেন, মাত্র ১১ বছর বয়সে ন্যাশভিলের বিভিন্ন রেকর্ড কোম্পানির দরজায় দরজায় ঘুরেছিলেন সুইফট। সঙ্গে ছিল কারাওকে গানের ডেমো। তবে তখন কোনো প্রতিষ্ঠানই তাকে চুক্তির প্রস্তাব দেয়নি। ১৪ বছর বয়সে তিনি সনি/এটিভি পাবলিশিংয়ের সঙ্গে গীতিকার হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হন। এর আগে আরসিএর সঙ্গে উন্নয়নমূলক চুক্তি থাকলেও পূর্ণাঙ্গ চুক্তির জন্য আরও এক বছর অপেক্ষা করতে বলায় সেখান থেকে সরে আসেন। পরে স্কট বোরচেটার নতুন রেকর্ড লেবেলে যোগ দেন সুইফট। তখন প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ছিল মাত্র ১০ জন। নিজের গানের প্রচারের জন্য রেডিও স্টেশনে পাঠানো সিডি সিঙ্গেল খামে ভরার কাজেও অংশ নিতেন তিনি।
সুইফট জানান, তার প্রথম অ্যালবামের ‘আওয়ার সং’ গানটি নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুলের প্রতিভা অন্বেষণ অনুষ্ঠানের জন্য লিখেছিলেন। গানটি লিখতে তার সময় লেগেছিল প্রায় ২০ মিনিট। পরে সেটিই কান্ট্রি চার্টে তার প্রথম এক নম্বর গান হয়। ‘দ্য আউটসাইড’ গানটি লিখেছিলেন ১২ বছর বয়সে, স্কুলে নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে করার অভিজ্ঞতা থেকে। বলেছেন, নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রত্যাখ্যান ও সম্পর্কের অভিজ্ঞতাকে গানে রূপ দেওয়াই সুইফটের সৃষ্টিশীলতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, সংগীতজগতের চাপ কখনো কখনো তাকে অভিভূত করে। তবে আরও ২০ বছর সংগীতে থাকার পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ারের সিদ্ধান্তগুলো নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রত্যয়ও জানিয়েছিলেন তিনি।
