
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ক্রয়ে সরকারের সরাসরি কোনো অর্থ ব্যয় হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের নিজস্ব আয় থেকেই পর্যায়ক্রমে এই অর্থ পরিশোধ করবে, সরকার কেবল গ্যারান্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
সভায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, গত ২০ বছরে জবাবদিহিতার ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় পরিকল্পনাহীনভাবে নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার যেকোনো ধরনের ক্রয় প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। মন্ত্রণালয়ের সব ধরনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়ন ও উড়োজাহাজ ক্রয় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এখনি ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন না করলে আগামী কয়েক বছর পর বিমান তীব্র উড়োজাহাজ সংকটে পড়বে। কারণ নতুন ক্রয় করা উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে এবং ততদিনে বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে গ্রাউন্ডেড হতে থাকবে।
বগুড়া বিমানবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য প্রায় ২০০০ একর জায়গার প্রয়োজন। ওয়াইড বডি এয়ারক্রাফট উড্ডয়নের উপযুক্ত রানওয়ে প্রস্তুতের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এসময় মন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এআর/আরএফ
